What Amazes Me About New Zealand (A Series)

What Amazes me in New Zealand:

1. Akaroa and its surroundings:-

…surrounding hills and valleys with various shades of green – light, dark, brownish in the bushes and valleys, farmlands with sparkle of aqua-marine from the vast sea behind…so many times I have been to this place…yet I do love watching those various shades of colours of Mother Nature’s own hand spun fabric of marvellous colours…

2. Timaru Botanical Garden & its surroundings

I love that long drive, sea coast, walk around the Botanical Garden. I was awed finding a much knotted Elm tree and standing under it; it was as if I was watching big pythons entwined around otherwise harmless old tree. Never had watched such peculiar sort of branch coiling before. The pond had lotus like pink coloured flowers and broad leaves, reminding me of my childhood days when at times I used to visit Eden Garden in company of my Parents and two other siblings, I tried once to pick up one lotus flower from water and got restrained by my elder brother. He thought I might either fall in water or topple the boat’s balance. Worth going many more times

3. Lake Brunner, West Coast

I had spent more than a week in a nearby cottage some years ago; the first word comes to my mind thinking about West Coast in general and Lake Brunner in particular, is GREEN. Such beauty of lush green natural bush and forest is something unique even in this beautiful country

4. Lake Hawea, Wanaka
5. Motueka
6. Lake Tekapo

Advertisements

In Memory of a Famous Personality: Sri Nalini Kanto Sarkar

শ্রী নলি নী কান্ত সরকার স্মৃতি চারণ

প্রথম ঘটনা:-

শ্রী অরবিন্দ আশ্রম…সঙ্গীত শিক্ষা কেন্দ্রে’র মধ্যে সাজ সাজ একটা ব্যাপার…গ্রামোফোন কোম্পনি থেকে সাহানা দেবী ‘র কিছু গান রেকর্ড করে নিয়ে যাবে…সেই মতো সবাই প্রস্তুত…টান টান একটা চাপা উত্তেজনা বসে থাকা বাচ্চা ‘দের মধ্যে…কিছু গান `সোলো’ রেকর্ড হবে, বাকি গুলো `কোরাস’; তাই তারা ও এসে বসে আছে…সব ক’টা জানালা বন্ধ করে বড় বড় কার্পেট ঝুলিয়ে দেয়া হযেছে…বাইরের শব্দ যেন ঢুকতেনা পারে…সেই সময় `সাউনড প্রূফ’ কর বার জন্যে এই ব্যাবস্থা ই নেয়া হত…যাক সে কথা…দরজা দিয়ে প্রথমে সাহানা দি ঢুকচ্ছেন, পেছন পেছন ন্লিনী দা…তাঁর দুই হাতে তবলা ধরে…ঘর ঢুকে পুরনো কার্পে ট গুলো থেকে বেরুনো বিচ্ছিরি সোদা গন্ধএ সাহানা দি নাক কুঁচকে বলে উঠেছেন – `ইস,! কার্পে ট ‘এর গন্ধে টেঁকা দায়’…সঙ্গে সঙ্গে ন্লিনী দা বলে উঠলেন – `বিশ্বাস কর, অন্তত আমার পেটের গন্ধে নয়’….সমস্ত ঘরে চাপা একটা হাসি’র রেশ ছড়ইয়ে গেল…স্তমভিত সাহানা দি বকুনি দিলেন – `কী হচ্ছে, বাচ্চারা বসে আচ্ছে না?’

* * * * *

ঘটনা নং দুই:

স্থান সেই শ্রী অরবিন্দ আশ্রম, পনডিচেরি…একটি গানের অনুষ্ঠান হবে, অনেকে এসে বসে আছেন…এক নতুন আসা সাধক সমবেশে ঢুকেছেন…ইনি ও মাঝে মাঝে বাচ্চাদের গান শেখানোর ক্লাস নিচ্ছেন…তাঁকে দেখেই ন্লিনী দা বলে উঠেছেন – `কী হে, আজ কাল শুনি তুমি তোমার ছাত্র ছাত্রী ‘ দের দিয়ে গা – টেপাচ্ছ, পা – টেপাচ্ছ?’ সভার মাঝে একটা মৃদু গুঞ্জন শুরু হল; সাধক টি তো হ্তবাক্. তিনি কোনোমতে বলতে পেরেছেন – `দাদা, আপনি আমার গুরু জন, আপনি এমন কথা বল্ছেন’! ন্লিনী দা আবার বলে উঠেছেন – `আরে আমি নিজের কানে শুনেছি’. উপস্থিত যাঁরা ন্লিনী দা’কে ভালো মতো চেনেন, তাঁরা কিছু টা এবারে আন্দাজ করতে পেরে হাসি মুখে তাকিয়ে আছেন সাধক টির তখন চোখে জ্ল আসার উপক্রম হএছে…ন্লিনী দা সরবে এবারে বললেন – `আরে বাবা, কেন তুমি কে ও দের গান শেখাতে গিয়ে `গা- টিপ তে, পা-টিপ তে বল না? আমি তো সে কথাই বলছিলাম’…সবার মধ্যে হাসা হাসি…সাধক টি স্বস্তি’র নিশ্বাস ফেলে এগিয়ে এসে ন্লিনী দা’র পায়ের ধুলো নিলেন

** ** ** ** **

ঘটনা নং তিন :-

ন্লিনী দা’র উপস্থিত বুদ্ধি আর মজ আ করবার আরেক টি ঘটনা’র উল্লেখ করে এই স্মৃতি চারণ শেষ করছি…ইনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ও ভালো ভাবে তালিম নিয়ে ছিলেন আর রবীন্দ্র সঙ্গীত ভালো গাইতে পারতেন…রবীন্দ্র নাথ এর গান সম্পর্কে ইনি খুব উঁচু ধারণআ পোষন ক্র্তেন…এ বিষয়ে তর্ক’এ নামতে ইনি পিছ-পা হতেন না…একবার এক গানের জ্ল সা’তে এক ত্দ-কালীন উস্তাদ এর সঙ্গে তাঁর ম্তনৈক্য ঘটে. উস্তাদ টি বারে বারে রবীন্দ্র সঙ্গীত এ কারু কার্য কিছু নেই, শুধু কথা, ও গান তো যে কেউ গাইতে পারে – এ সব বলে যাচ্ছিলেন…ন্লিনী দা’ প্রথম টায় শান্ত ভাবে ওই উস্তাদ কে বোঝান যে, ভাষার সৌন্দর্যয় আর সুরের সুসম সমন্বয় কী ভাবে রবীন্দ্র সঙ্গীত কে এক অনন্য রূপ দিয়ে ছে; যার তুলনা শাস্ত্রীয় গানে কোথা ও নেই…উস্তাদ এর মুখের বাঁকা হাসি ত্খনো দেখে এবারে তাঁকে চ্ম্কে দিয়ে একটি ধ্রূপদ গান শুরু করেন…মুনসিয়ানা’র বা গলার কারুক্ৃতি’ এর কোন খুঁত সে গানে ছিল না, বেশ মাথা দুলিএয় উস্তাদ গান টি শুনে যান…শেষে ন্লিনী দা তাঁকে প্রশ্ন করলেন – `আমি কী গেয়েছি আপনি বুঝতে পেরে ছেন?’ `নিশ্চয়ই, তুমি একটি ধ্রূপদ গেয়েছ, আর মান তেই হবে, যে তুমি বেশ ভাল গেয়েছ’…এবারে প্রশ্ন – `আমার আলাপ চারি’তে কী ভাষা ছিল, তা বুঝতে পেরে ছেন?’ উস্তাদ’কে স্বীকার করতেই হল যে তা তিনি পারেন নি…এবারে তুরুপের তাস ছাড়লেন ন্লিনী দা -` আমি সুর তাল সব অবিকৃত রেখে এটা বলেছি “শালার ব্যটা শালা তুই আমার কী করতে প৅রিস?’ স্বভাব তঃ উস্তাদ এর মুখ তখন লাল রঙ্ এ চ্ছেয়এ গেচ্ছে…একটু ও না ঘাব্ড়এ গিয়ে ন্লিনী দা বলে গেলেন -`এটা থেকে প্রমান কী হচ্ছে না, যে ভাষা’র মধুরতা গানের সুন্দরতা কে বাড়ি এ তোলে? যেটা রবীন্দ্র সঙ্গীত’ এর বিশ্েষত্ব? যেটাআপনি মানতে রাজী হচ্ছিলেন না?’ উস্তাদ এর মুখে তখন আর কথাটি নেই!

Sanskrit Golden Proverbs – Subhasitani

Here are some old age wisdom filled references from my Class VIII Sanskrit book. As those were in poem format, it was easy to remember them…I have tried to write the original verse followed by Bengali meaning of it…have a happy reading

দুর জনহ পরিহর্তব্য বিদ্যা অল্ন কৃত অপি সন
ম্নিনা ভূষিত সর্প কিম আস উ ন ভয়ং করহ?

(খারাপ লোকের থেকে সব সময় দূরত্ব রেখে চলা উচিত…সে বিদ্দান হলেও তার সঙ্গ সদা বর্জ্নিয)

সত্য ম্ ব্রূযাত্ প্রি য়নগ ব্রূযাত্ মা ব্রূযাত্ সত্য ম্ অ প্রিযম
প্রি য্ন্চ না নৃতংগ ব্রূযাত্ এস ধর্ম সনা তন

(সত্য কথা বলবে, কিন্তু প্রিয় সত্য কথা বলবে, অ-প্রিয় সত্য বলা উচিত্ নয়; আবার শুনতে মিষ্টি শোনায় বলে মিথ্যা বলার ও কোন প্রযোজন নেই…এটাই সনা তন ধর্ম)

চিন্ত নিয়া হি বিপদম আদ উ এব প্রতি ক্রিয়া
ন কূপ খন নং যুক্তাং প্রদীপতে বহ্নি না গৃহে

(কাজ কর বার আগে আগে পিছে ভেবে নিয়ে তবেই কাজ করবে…বাড়িতে আগুন লাগার পরে জল এর জ্ন্যে কুয়ো কাটতে যাবার কোন মানে হয় না, আগে থেকে তার ব্যাবস্থা রাখতে হয়)

মনসা চিন্তিতোংগ কর্ম, বচসা ন প্রকাশ এত্
অন্য লক্ষিত কার্জ্য স চ জ্গ্তে সিদ্ধি ন জায় তে

(যা কর তে চলেছ, তা নিজের মনেই রাখবে, মুখে তা প্রকাশ করা র দর কার নেই…আগে থেকে যদি লোকে তোমার উদ্দেশ্য জেনে যায়, কাজে সিদ্ধি’র আশা থাকে না)

রূপ যৌবন সম্পন্নাঃ বিশাল কূল সম্বহবঃ
বিদ্যা হীন আ ন শোভ্ন্তে নির্-গন্ধহা ইব কিংশু কা

(দেখতে সুন্দরী, খুব উঁচু ঘরে জন্ম হলেও বিদ্যা ধন যার নেই, সে কিন্গ্শুক বা পলাশ ফুলের মতো, যার শুধু চেহারা আছে, কিন্তু কোনো গন্ধ নেই)

বিদ্য় ত্ন্চ নৃপ ত্তঞ্চ নেইব তুল্য ক্দা চন
স্বদেশে পুজ্যতে রাজা, বিদ্ দ্বান সর্বত্র পুয্য় তে

(এক বিদ্বান বা পন্ডী ত ব্যাক্তি’র সম্মানের সঙ্গে এমন কী এক রাজার ও কোন তুলনা হয় না…রাজা নিজের দেশে সম্মানের পাত্র, বিদ্বান সদা এবং সব দেশে বিদেশে সম্মানের পাত্র)

উদেতি সবি তা তাম্রো স্তম্রো এবং অ স্তমেতি চ
সম্ পত্ত উ চ বি প ত্ত উ চ মহ্তম এক রূপতা

(সূর্যয় যখন আকাশে প্রথম উদয় হন, খুব লাল চে রং এর থাকেন, যখন অস্ত যাবার সময় হয়, ত্খ্ন ও সেই এক লাল চে রঙ ধরেন…বিপদ হক বা সাধা রণ অবস্থ্যা যাই হোক না কেন, স্থিত বুদ্ধি ব্যাক্তি সমান ভাবে সদা থাকেন)

উত্সবে ব্যাসনে চইব দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্র বিপ্লবে
রাজ দ্বারে শ্মশানে চ য তিস ঠতি স বান্ধবঃ

(সু সময়ে খারাপ সময়ে দুর্ভিক্ষে যুদ্ধে বলতে গেলে আনন্দে, দুখে সুখে এমন কী শ্মশানে মানে একেবারে শেষ সম়য় কালে ও যে সঙ্গ ত্যাগ করেযায় না, সেই হচ্ছে প্রকৃত বান্ধব)

What a Bother!

সু প্রভাত!…আমি হেঁটে ফিরে এসে সবে আমার পা-দুটো কে একটু বিশ্রাম দিতে বসেছি; আজকাল এই একটা ফ্যাচা ঑ংগ হ তে লেগেছে…হয় হাঁটু তে ব্যাথা, নইলে কোমরে…বোঝা যাচ্ছে যে বযস আর লুকিয়ে রাখার উপায় নেই…এ প্রসঙ্গে মজার একটা কবিতা মনে পড়ছে ;-

“এ কী হেরি অকস্মাত্
বিনা মেঘে ব্জ্রআ ঘাত
কোমর্ এ কী গজাল বাত
আছি খিঁচইয়া দাঁত
এখন তো  স বেঅর্ধ রাত
তবে আমি কেন কাত?
হাঁটু টাও তযে কনকনায়
কেউ তো আমার কাছে আয়
আমি কেন চিত্ পাত”
Writing up to that, I sent it to Moni, who sent me back her creation on the same tune :-

“বয়েসের  আর দোষটা কি ?
আমরাও যে ওজনে বেড়েছি .
মাছ মাংস মন্ডা মিঠাই
ছাড়তে কিছুই পারছি না ভাই.
কোমর পা তাই দিছে জানান
পারব না আর চলতে সমান”

First Step

Today is my first day in creating my Blog. In future, I would love to write on Tours, Trips, Culture, and other varieties of topics. I would wish to write on arts, current affairs, travels etc…my writings will cover languages ranging from English, Bengali (my mother tongue), Hindi and Sanskrit