Childhood Bengali Poem Collection (From Memory) – I

 

 

  1. ছোটো বালুকার কনা বিন্দু বিন্দু জল

ছোটো বালুকার কনা বিন্দু বিন্দু জল

গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর আট্‌ল

মুহুর্ত নিমেষ কাল তুচ্ছ পরিমান

রচে য়ুগ য়ুগান্ত অনন্ত মহান

প্রত্যেক সামান্য ত্রউটি খুদ্র অপরাধ

ক্রমে টানে পাপ পথে ঘটায়  প্রমাদ

প্রতি করুনার দান স্নেহ পূর্ণ বানী

এ ধরায়ে স্বর্গ সুখ নিত্য দেয় আনি 

 

  1. আমার ভোর না হতে ঘুম টি ভাঙ্গে তোমারি গান শুনে

আমার ভোর না হতে ঘুম টি ভাঙ্গে তোমারি গান শুনে

সাগর ছুটে আসি তোমার পানে জানি না কোন টানে

ওগো ঢেউ এর নীলে মেঘের ভালে পূব আকাশের কোলে

বলো এতো সিঁদুর কে ঢেলে দেয় নিত্য সকাল হলে

সেই সিঁদুর জলে গা ভাসিয়ে সুজ্জি মামা নায়ে

দেখে আপন ছায়া জলের মাঝে অবাক হয়ে চায়

ক্রমে বারলো বেলা সোনার আলোয় ভোরলো সকল দিক

সাদা ফেণার মাথার ওপর করে রোদ্দুর ঝিকমিক

তোমার নীল আচলের কোলের প্রান্তে দেয় সে গেথে মণি

হেসে গলাএ দেয় দুলিএ হীরের মালা খানি

নাচে আলোর সাথে হাও আর সাথে লকখো কোটি ঢেউ

ফেণা লাফিয়ে পরে গরিয়ে পরে রাখতে পারে কেউ

বহু যোজন জুড়ে তুমি রয়েছো প রে বাহু দুটি মেলে

ফেণা দৌড়ে এসে ঝাপিযে এসে পড়ছে তোমার কোলে

যখন চাঁদনি রাতে জোত্স্নআ ফোটে তোমার কালো জলে

তখন ছড়ইয়ে পড়া জলের কণা মুক্তও হয়ে দোলে

তখন জল তো তোমার জল নাহি আর জেনো রুপর ধারা

কোথা থেকে চাদের আলো এ চলছে আপন হারা

শুনি তোমার জলের তলে আছে মুক্তও ভরা খনি

শুনি আঁধার ঢাকা বুকের তলায় লুকিয়ে রাখো মনি

যেদিন সীমা তোমার ঘুচিয়ে দেবে অন্ধ আঁধার কালো

সেদিন ঢেউ এর মাথায় ঢেউ এর মাথায় জলবে যে তার আলো

 

 

  1. ছাত্র ধারা – (মূল কবিতআ – কবিশেখর শ্রী কালিদাস রায় এর লেখা; স্মৃতি থেকে); অনুলেখন – আমার

 

বর্ষে বর্ষে দলে দলে আসে বিদ্যা মঠ তলে

চলে যায় তারা কলোরবে

কৈশরের কিশলয় পর্নে পরিণত হয়

যৌবনের শ্যামল গৌরবে

ভালবাসি কাছে ডাকি নাম সব জেনে রাখি

দেখা শোনা হয় নিতি নিতি

শাসন তর্জন করি শেখাই প্রহর ধরি

থাকে নাকো হায় কোনো স্মৃতি

ক দিনের এই দেখা সাগর সৈকতে রেখা

নতুন তরঙ্গে মিশে যায়

ছোটো ছোটো দাগ পার ঘুচে হয় একা কার

নব নব পদ তাড়নায়

না জানে কে কোথা যাবে জোটে হেথা তাই ভাবে

পাঠশালা যেন পান্থশালা

ক দিন একত্রে মাতে এক সাথে বসে গাঁ থে

নীতি হার আর কথা মালা

স্বচ্ছ্তায় শুধু হেরি আমার জীবন ঘেরি

জাগে শুধু ম্লান মুখ গুলি

কল হাস্য মহোত্সব আর ভুলে যাই সব

ম্লান মুখ কখনো না ভুলি

কেহ বা জানালা পাশে চেয়ে রয় নীলকাশে

যেন বন্ধপিঞ্জরের পাখি

আকাশে হেরিয়া ঘুড়ি মন তার যায় উড়ে

বিষাদ এর ছায়া খানি রাখি

আর সব গেছি ভুলি ভুলি নে সেই মুখ গুলি

একবার মুদিলে নয়ন

আঁখি পাতা ভারি ভারি ম্লান মুখ সারি সারি

আকুল করিয়া তোলে মন

 

  1. ছিপ খান তিন দাঁড় তিন জন মাল্লা

ছিপ খান তিন দাঁড় তিন জন মাল্লা

চৌপর দিন ভর দেয় দূর পাল্লা

 

কঞ্চির তীর ঘর ওই চর জাগ ছে

বুনো হাঁস ডিম তার শ্যাওলায় ঢাকছে

 

চুপ চুপ দেয় ডুব ওই পান কৌটি

দেয় ডুব টুপ টুপ ঘোম টার বৌ টি

 

লক লক শর বন বক তায় ম্গ্ন

চুপ চাপ চার দিক সন্ধ্যা’র লগ্ন

 

আর জোর দেড় ক্রোশ আর দেড় ঘন্টা

টান ভাই টান সব নেই উত্ কন্ঠ আ

 

  1. ঠাকুর দাদার চশমা কোথা

ঠাকুর দাদার চশমা কোথা

ওরে গণশা হাবুল ভোঁদা

দেখ না হেথা দেখ না হোথা

খোঁজ না নীচে গিয়ে .

 

খুজছে মিছে কুঁজো র পিছে

জুতোর ফাঁকে খাটের নীচে

কেউ বা জোরে পর্দা খিঁচে

বিছানা ঝেড়ে দেখে

 

লাফিএ ঘুরে হাঁপিএ ঘেমে

ক্লান্ত সবে পড়লো থেমে

ঠাকুর দাদা ওমনি রেগে

আসেন তেড়ে মেরে

 

বলেন রেগে `চশমা টা কী

ঠ্যাং গজিয়ে ভাগলো নাকি

খোঁজআর নামে কেব্‌ল্ ফাঁকি

দেখছি আমি এসে

 

যেমনি বলা দারুন রোষে

কপাল থেকে ওমনি খসে

পড়ে চশমা তকতো পোশে

ওঠে সবাই হেসে

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s